প্রথমবার ৫০ শতাংশের নিচে চ্যাটজিপিটির বাজার হিস্যা

বৈশ্বিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) বাজারে চ্যাটজিপিটি হিস্যা প্রথমবারের মতো ৫০ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে।

অ্যানালিটিকস প্রতিষ্ঠান সেন্সর টাওয়ার স্টেট অব এআই রিপোর্ট ২০২৬-এ তথ্যটি প্রকাশ করেছে। খবর টেকক্রাঞ্চ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওপেনএআইয়ের চ্যাটজিপিটি এখনো বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট হলেও গুগলের জেমিনি, অ্যানথ্রোপিকের ক্লড ও এক্সএআইয়ের গ্রোকের মতো প্রতিদ্বন্দ্বীদের উত্থানে ব্যবহারকারীরা অন্য প্লাটফর্মে চলে যাচ্ছেন।

অবশ্য ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুততম অ্যাপ হিসেবে এটি মে মাসে ১০০ কোটি সক্রিয় ব্যবহারকারীর মাইলফলক স্পর্শ করেছে।

ওপেনএআইয়ের হিসাব অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারিতে প্লাটফর্মে সপ্তাহে সক্রিয় ছিল ৯০ কোটি ব্যবহারকারী। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ১১০ কোটির বেশি মাসিক ব্যবহারকারী নিয়ে চ্যাটজিপিটি শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। এ তালিকায় ৬৬ কোটি ২০ লাখ ব্যবহারকারী নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে গুগলের জেমিনি ও ২৪ কোটি ৫০ লাখ ব্যবহারকারী নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছে ক্লড।

এআইয়ের বাজারের গত জানুয়ারি পর্যন্ত ৫০ শতাংশের বেশি হিস্যা চ্যাটজিপিটির দখলে ছিল। তবে মে মাসের শেষে তা কমে ৪৬ দশমিক ৪ শতাংশে নেমে এসেছে। বিপরীতে জেমিনির বাজার হিস্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ দশমিক ৭ শতাংশ ও ক্লডের ১০ দশমিক ৩ শতাংশ।

অন্যদিকে গ্রোক, পারপ্লেক্সিটি, ডিপসিক ও মেটা এআইয়ের মতো অন্যান্য অ্যাসিস্ট্যান্টগুলোর বাজার হিস্যা এখনো ৫ শতাংশের নিচে রয়েছে।

সেন্সর টাওয়ারের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ব্যবহারকারীরা এখন খুব সহজেই এক এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট ছেড়ে অন্যটি বেছে নিচ্ছেন। শুধু নতুন ফিচার নয়, ব্র্যান্ডের বিশ্বাসযোগ্যতা ও নৈতিকতার বিষয়টিও এখন ব্যবহারকারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

উদাহরণস্বরূপ, গত ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের সঙ্গে ওপেনএআই একটি চুক্তি করে। এর পর পরই অনেক ব্যবহারকারী চ্যাটজিপিটি অ্যাপটি আনইনস্টল বা মুছে ফেলেন।

প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে জেমিনি খুব দ্রুত বড় বাজার তৈরি করতে পেরেছে।

অন্যদিকে উৎপাদনশীল কাজের জন্য অ্যানথ্রোপিকের ক্লড ব্যবহারকারীদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। গ্রাহকদের ধরে রাখার ক্ষেত্রে ক্লড এখন চ্যাটজিপিটির খুব কাছাকাছি অবস্থান করছে বলে উঠে এসেছে প্রতিবেদনে।

আরও